মুক্তিযুদ্ধে আট নম্বর সেক্টর
৳ 625 Original price was: ৳ 625.৳ 460Current price is: ৳ 460.
Categories: জেলা ও সেক্টর-ভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধ
Edition: ১ম প্রকাশ, ২০২০
No Of Page: 393
Language:BANGLA
Publisher: এশিয়া পাবলিকেশন্স
Country: বাংলাদেশ
Description
“মুক্তিযুদ্ধে আট নম্বর সেক্টর” বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা:
বীর যুদ্ধাহত মুক্তিযােদ্ধা কর্নেল (অব.) মােহাম্মদ সফিকউল্লাহ্, বীর প্রতীক এর জন্ম ১৯৪১ সালের ২৬ অক্টোবর। জেলা : কুমিল্লা, থানা : চান্দিনা, ইউনিয়ন : যােয়াগ, গ্রাম : কৈলাইন-এর সম্রান্ত এক মুসলিম জমিদার শিক্ষিত আলেম পরিবারের সন্তান । ১৯৫১ সালে স্কুল জীবনে বন্দুক হাতে নেয়া যােদ্ধার বাস্তব পরীক্ষা ১৯৭১-এর রণাঙ্গনে। তিনি ৮নং সেক্টর ‘ই’ কোম্পানিসহ ৫নং গেরিলা ইউনিট কমান্ড করেন। মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ যােদ্ধাহত অফিসার “বীর প্রতীক” খেতাবে ভূষিত হন। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের বাংলার অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে সেনাসদর, চীফ ইন্ট্রাক্টর, আর্মি স্কুল অব এডমিনিষ্ট্রেশন, বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন, আর্মি স্কুল। অব এডুকেশন এন্ড এডমিনিষ্ট্রেশন এর মত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন । ১৯৯৬ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনােলজি (আইইউবিএটি)-তে প্রথম ট্রেজারার পদে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। অনুকরণীয় সততা ও চারিত্রিক দৃঢ়তার অধিকারী এই বীর মুক্তিযােদ্ধা বাংলা একাডেমীসহ বিভিন্ন বিদ্বতসংঘের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন।
বীর যুদ্ধাহত মুক্তিযােদ্ধা কর্নেল (অব.) মােহাম্মদ সফিকউল্লাহ্, বীর প্রতীক এর জন্ম ১৯৪১ সালের ২৬ অক্টোবর। জেলা : কুমিল্লা, থানা : চান্দিনা, ইউনিয়ন : যােয়াগ, গ্রাম : কৈলাইন-এর সম্রান্ত এক মুসলিম জমিদার শিক্ষিত আলেম পরিবারের সন্তান । ১৯৫১ সালে স্কুল জীবনে বন্দুক হাতে নেয়া যােদ্ধার বাস্তব পরীক্ষা ১৯৭১-এর রণাঙ্গনে। তিনি ৮নং সেক্টর ‘ই’ কোম্পানিসহ ৫নং গেরিলা ইউনিট কমান্ড করেন। মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ যােদ্ধাহত অফিসার “বীর প্রতীক” খেতাবে ভূষিত হন। ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের বাংলার অধ্যাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে সেনাসদর, চীফ ইন্ট্রাক্টর, আর্মি স্কুল অব এডমিনিষ্ট্রেশন, বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন, আর্মি স্কুল। অব এডুকেশন এন্ড এডমিনিষ্ট্রেশন এর মত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন । ১৯৯৬ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণের পর ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনােলজি (আইইউবিএটি)-তে প্রথম ট্রেজারার পদে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। অনুকরণীয় সততা ও চারিত্রিক দৃঢ়তার অধিকারী এই বীর মুক্তিযােদ্ধা বাংলা একাডেমীসহ বিভিন্ন বিদ্বতসংঘের সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন।

